ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: ইলন মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের ইঙ্গিত
যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ককে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’ নিয়ে মাস্কের প্রকাশ্য সমালোচনার প্রেক্ষিতে এমন কড়া হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউসে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “আমি জানি না, বিষয়টা দেখে নিতে হতে পারে।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা হয়তো ডোজকে ইলনের পেছনে লাগিয়ে দিতে পারি।” এখানে ‘ডোজ’ বলতে তিনি ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি’-এর কথাই বোঝান, যার নেতৃত্বে আগে মাস্ক ছিলেন।
ট্রাম্প দাবি করেন, মাস্কের সমালোচনার কারণ হলো প্রস্তাবিত ব্যয় পরিকল্পনায় ইলেকট্রিক গাড়ি শিল্পের জন্য দেওয়া ভর্তুকি বাতিল করা হয়েছে। “তিনি তার ইভি ম্যান্ডেট হারাচ্ছেন। তিনি খুব ক্ষুব্ধ। তবে আমি বলতে পারি, তিনি আরও অনেক কিছু হারাতে পারেন,” বলেন ট্রাম্প।
উল্লেখযোগ্য যে, মাস্ক একসময় ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে তাঁর প্রচারে উল্লেখযোগ্য ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রস্তাবিত বাজেট বিল নিয়ে তাঁদের মধ্যে চরম মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।
মাস্ক তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ জানান, যদি এই বিল পাস হয়, তবে তিনি ‘আমেরিকা পার্টি’ নামে নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠন করবেন। একইসঙ্গে তিনি রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার অভিযোগও তোলেন।
মাস্ক বলেন, “যদি আমি জীবনের শেষ কাজ হিসেবেও কিছু করি, তবে নিশ্চিত করব—এই বিলের পক্ষে ভোট দেওয়া কংগ্রেস সদস্যরা যেন আগামী নির্বাচনে পরাজিত হন।”
এ অবস্থায় ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও মাস্কের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প ও মাস্কের এই সংঘর্ষ আগামী নির্বাচনে রিপাবলিকান শিবিরে বড় ধরনের বিভাজন তৈরি করতে পারে।


https://shorturl.fm/UmCYG
https://shorturl.fm/t3t9K
https://shorturl.fm/3aqLh
https://shorturl.fm/Z6Nai
https://shorturl.fm/MqEg8
https://shorturl.fm/yjbaf
https://shorturl.fm/QOvVw
https://shorturl.fm/sN04m